P
PurpleGirl

আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়েতে বাধ্য হলে কী করবেন

By Adv. Meera KrishnaswamyUpdated June 20263 min read
🌐Read this guide in your language:

Reviewed by

Adv. Meera Krishnaswamy · LLB, Practising Advocate

রিয়া সবসময় জানত যে তার পরিবারের ইচ্ছা ছিল তার জন্য একজন পছন্দের পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া। কিন্তু যখন সে জানতে পারল বিয়েটা মাত্র এক মাস দূরে, তখন তার মনে হল যেন তার পুরো জীবন ধসে পড়ছে। সে কখনই ছেলেটির সঙ্গে দেখা করেনি, এবং সারাজীবন তার সঙ্গে কাটানোর চিন্তা করতেই তার ভয় লাগছিল। আমাদের সমাজে অনেক সময় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, যেখানে মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এই লেখায়, আমরা জানাবো কীভাবে আপনি নিজের অধিকার সম্পর্কে জানবেন এবং কীভাবে সাহায্য পাবেন।

What You'll Need

  • বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু
  • নোটবুক
  • ফোন
  • আইনজীবীর সাথে যোগাযোগের তথ্য
  • সুরক্ষিত স্থান
1

আপনার অধিকার জানুন: বাধ্যতামূলক বিয়ের বিরুদ্ধে আইন

আপনার পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রথম পদক্ষেপ হল আপনার অধিকার সম্পর্কে জানা। ভারতে, Special Marriage Act, 1954 এবং Hindu Marriage Act, 1955 অনুযায়ী বিয়ে একটি স্বেচ্ছায় সংঘটিত সম্পর্ক হতে হবে। এছাড়া Prohibition of Child Marriage Act, 2006 অনুযায়ী 18 বছরের নিচে মেয়েদের এবং 21 বছরের নিচে ছেলেদের বিয়ে নিষিদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গে, আপনি যদি বাধ্যতামূলক বিয়ের শিকার হন, তাহলে আপনাকে জানানো উচিত যে আইন আপনার পাশে আছে। আইনজীবী বা মহিলা কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনার অধিকার সম্পর্কে জানুন।

2

সাহায্য চাইতে: আপনার বিশ্বাসযোগ্য কারো সাথে কথা বলুন

যখন আপনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তখন একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আপনার মায়ের সাথে কথা বলতে পারেন, যিনি আপনার পরিস্থিতি বুঝতে পারেন এবং আপনাকে সমর্থন দিতে পারেন। অথবা, আপনার খুব ভালো বন্ধু যদি থাকে, যিনি আপনাকে সমর্থন করতে পারেন, তার সঙ্গেও কথা বলুন। আপনার মনের কথাগুলো শেয়ার করলে আপনি মানসিকভাবে হালকা অনুভব করবেন এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে। পশ্চিমবঙ্গে এমন অনেক মহিলা সংগঠনও আছে যারা আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Have a specific question you can't ask anyone? Ask it anonymously — no name needed.

Ask Here →
3

প্রমাণ সংগ্রহ: আপনার পরিস্থিতি নথিভুক্ত করুন

যদি আপনি বিয়েতে বাধ্য হচ্ছেন, তাহলে আপনার পরিস্থিতির প্রমাণ সংগ্রহ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি হতে পারে আপনার পরিবারের সদস্যদের কথোপকথনের স্ক্রিনশট, মেসেজ, অথবা যে কোনো ধরনের হুমকির নথি। এই প্রমাণগুলো পরে আইনগতভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া, আপনি একটি নোটবুকে আপনার অনুভূতি এবং ঘটনার সময়সীমা লিখে রাখতে পারেন, যা আপনার অবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরতে সাহায্য করবে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক মহিলা সংগঠনও আপনাকে এই প্রমাণ সংগ্রহে সহায়তা করতে পারে।

Step 4

সুরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করুন: নিজেকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করুন

যদি আপনি তাত্ক্ষণিক বিপদে থাকেন, তাহলে একটি সুরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করা জরুরি। এটি হতে পারে আপনার বাড়ির বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা, যেখানে আপনি নিরাপদ বোধ করবেন। আপনি যদি কোনো বন্ধুর বাড়িতে যেতে পারেন, তাহলে তা আপনার জন্য ভালো হতে পারে। এছাড়া, আপনার ফোনে জরুরি যোগাযোগের নম্বরগুলো সংরক্ষণ করুন যাতে প্রয়োজনে দ্রুত তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গে, কিছু মহিলা সংগঠন এবং সেবা কেন্দ্র রয়েছে যারা আপনাকে সুরক্ষিত থাকার জন্য সহায়তা করতে পারে।

5

কার্যকরী পদক্ষেপ: কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চান

যদি আপনি বিয়েতে বাধ্য হচ্ছেন, তবে কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চাইতে পারেন, যেমন পুলিশ বা মহিলা কমিশন। আপনার অধিকার সম্পর্কে জানার পর, আপনি তাদের কাছে আপনার পরিস্থিতি বিস্তারিত জানাতে পারেন। পুলিশ আপনাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকবে এবং আপনাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় মহিলা কমিশনের অফিস রয়েছে, যেখানে আপনি যেতে পারেন এবং আপনার সমস্যার সম্পর্কে তাদের জানাতে পারেন।

PurpleGirl Insight

"আপনার অনুভূতি ও পরিস্থিতি সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলার চেষ্টা করুন, এটি আপনাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করবে।"

Was this guide helpful?

Frequently Asked Questions

ভারতে বাধ্যতামূলক বিয়ের বিরুদ্ধে কী কী আইন আছে?
ভারতে, Special Marriage Act, 1954 এবং Hindu Marriage Act, 1955 অনুযায়ী বিয়ে দুটি সম্মত প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একটি স্বেচ্ছায় সংঘটিত সম্পর্ক হতে হবে। Prohibition of Child Marriage Act, 2006 অনুযায়ী 18 বছরের নিচে মেয়েদের এবং 21 বছরের নিচে ছেলেদের বিয়ে নিষিদ্ধ। যদি আপনি বাধ্যতামূলক বিয়ের শিকার হন, তাহলে আপনি পুলিশ এবং আদালতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে পারেন।
National Commission for Women (NCW) থেকে কীভাবে সাহায্য চাইব?
আপনি NCW এর হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা তাদের অফিসে সরাসরি যেতে পারেন। NCW-তে একটি নিবেদিত টিম রয়েছে যারা বিপদে থাকা মহিলাদের সাহায্য করে এবং আপনাকে গাইড করতে পারে। এছাড়া, All India Democratic Women's Association (AIDWA) এর মতো অন্যান্য সংগঠনগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারেন।
বাধ্যতামূলক বিয়ের কিছু সাধারণ লক্ষণ কী কী?
বাধ্যতামূলক বিয়ের কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো, যাকে আপনি বিয়ে করতে চান না, তার সঙ্গে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া, বিয়েতে অস্বীকার করলে হুমকি দেওয়া, এবং বন্ধু ও পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। যদি আপনি এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি অনুভব করেন, তবে অবিলম্বে সাহায্য চাইতে হবে। আপনি একটি বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, অথবা একটি হেল্পলাইন বা মহিলা অধিকার সাপোর্ট সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

Reviewed & Verified By

MK

Adv. Meera Krishnaswamy

LLB, Practising Advocate

Family Law Specialist, High Court

Adv. Meera Krishnaswamy ensures that all information provided in this guide aligns with the latest medical, legal, and professional standards in India. PurpleGirl Media relies on credentialed experts to provide a safe, accurate space for women.

Read full editorial policy
Legal HelpVakil SearchFree First Call

Free Legal Consultation for Women

Get a free 15-minute consultation with a women's rights lawyer via Vakil Search. No registration needed.

Book Free Consultation

Free Weekly Updates

Get a free 15-minute legal consultation for women in India

No spam. Unsubscribe anytime. 100% anonymous.

💜
PurpleGirl
Real Advice · Always Online