স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির মধ্যে প্যারেন্টিং পার্থক্য কীভাবে মোকাবেলা করবেন
Reviewed by
PurpleGirl Editorial Team · Reviewed by experienced women writers & researchers
ধরুন, আপনি এবং আপনার স্বামী আপনার প্রথম সন্তানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘর সাজানো, ডায়পার সাজানো এবং প্যারেন্টিং বই পড়া চলছে। কিন্তু হঠাৎ, আপনার শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে গিয়ে দেখলেন, তাঁদের সন্তানের প্রতি যত্ন নেওয়ার ধারণা আপনার সাথে মেলে না। এই পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? সংসারে এই সমস্যা মোকাবেলা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক দিক থেকে বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে, কারণ আমাদের এখানে পরিবারগুলো একসাথে খুব বেশি সময় কাটায়। তাই, চলুন দেখি কীভাবে এই পার্থক্যগুলোকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়।
What You'll Need
- খোলামেলা আলোচনা
- সীমা নির্ধারণ
- সহানুভূতি
- সহযোগিতা
- উৎসব
প্যারেন্টিং পার্থক্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা শুরু করুন
যখন প্যারেন্টিং স্টাইল ভিন্ন হয়, তখন যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে আপনার স্বামীর সাথে বসুন এবং উভয়েই আপনার প্যারেন্টিং ধারণাগুলি নিয়ে আলোচনা করুন। খোলামেলা আলোচনা করার সময়, একে অপরের মতামত শোনা এবং বুঝতে চেষ্টা করুন। যেমন ধরুন, আপনি হয়তো চান আপনার সন্তানকে কিছু স্বাধীনতা দেওয়া হোক, কিন্তু আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি চান সন্তানকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে। এই ভিন্নতা নিয়ে আলোচনা করার মাধ্যমে, আপনি একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারবেন এবং একটি যৌথ সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন। এই আলোচনা পশ্চিমবঙ্গের পরিবারগুলোতে অনেক বেশি কার্যকরী হতে পারে, যেখানে পরিবারিক মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে সীমা নির্ধারণ করুন
শ্বশুর-শাশুড়ির প্রভাব নিয়ন্ত্রণে সীমা নির্ধারণ করা খুবই জরুরি। আপনি যখন তাঁদের সঙ্গে প্যারেন্টিং নিয়ে কথা বলবেন, তখন তাঁদের ভালোবাসা এবং অভিজ্ঞতাকে সম্মান জানাতে ভুলবেন না। তবে, আপনার সন্তানকে কীভাবে বড় করবেন সে বিষয়ে আপনার স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। ধরুন, আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি চাইছেন যে আপনার সন্তানকে খুব বেশি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বড় করা হোক, কিন্তু আপনি চান তাঁদের কিছু স্বাধীনতা থাকুক। এখানে আপনি তাঁদের বোঝাতে পারেন যে, এই স্বাধীনতা শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে, আপনি তাঁদের সম্মান দিয়েই আপনার সীমাগুলি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।
Have a specific question you can't ask anyone? Ask it anonymously — no name needed.
প্যারেন্টিং স্টাইলে সাধারণ মাটি খুঁজুন
যখন বিভিন্ন প্যারেন্টিং দর্শনের মধ্যে ফারাক থাকে, তখন সাধারণ মাটি খোঁজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, আপনার শ্বশুর-শাশুড়িরা হয়তো চান যে আপনার সন্তানকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হোক, কিন্তু আপনি চাইছেন একটু বেশি স্বাধীনতা। এখানে, আপনি তাঁদের বোঝাতে পারেন যে কিছু নিয়ম এবং স্বাধীনতা উভয়ই জরুরি। আপনি যদি তাঁদের সাথে আলোচনা করেন যে কীভাবে আপনার সন্তানকে ভালোভাবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে উভয় পক্ষের জন্য একটি মধ্যম পন্থা বের করা সম্ভব। আপনি যদি তাঁদের কিছু প্যারেন্টিং স্টাইল গ্রহণ করেন এবং কিছু আপনার মত অনুযায়ী পরিবর্তন করেন, তাহলে একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে।
সংঘাতের সময় ধৈর্য এবং সহানুভূতি প্রকাশ করুন
যখন প্যারেন্টিং পার্থক্যগুলো সামনে আসে, তখন হতাশ হওয়া সহজ। আপনি মনে করতে পারেন যে আপনার শ্বশুর-শাশুড়িরা আপনার পছন্দগুলোকে সম্মান করছেন না। কিন্তু এটি মনে রাখা জরুরি যে, তাঁদেরও একটি অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যদি কখনো তাঁদের সাথে বিতর্ক হয়, তখন ধৈর্য ধরে তাঁদের কথা শোনার চেষ্টা করুন। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি চান যে আপনার সন্তানকে বেশি সময় টিভি না দেখতে দেওয়া হোক, আপনি তাঁদের বোঝাতে পারেন যে কিছু সময় বিনোদনও শিশুর বিকাশের জন্য জরুরি। এইভাবে, আপনি সহানুভূতি সহকারে একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করতে পারেন।
আলোচনায় আপনার স্বামীকে অন্তর্ভুক্ত করুন
শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে প্যারেন্টিং নিয়ে আলোচনা করার সময় আপনার স্বামীকে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করার সময় আপনার স্বামী যদি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন করেন, তাহলে বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার স্বামী আপনার প্যারেন্টিং স্টাইলের প্রতি সমর্থন জানায়, তাহলে শ্বশুর-শাশুড়িরা আপনার পক্ষে আরও বেশি শুনতে রাজি হবে। একসাথে আলোচনা করলে, আপনার স্বামী এবং আপনি উভয়ই তাদের চিন্তাভাবনা জানাতে পারবেন এবং এটি আপনার পরিবারে একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরি করবে।
পরিবার হিসেবে একসাথে বিজয় উদযাপন করুন
প্যারেন্টিংয়ের চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে, বড় বা ছোট বিজয় উদযাপন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন আপনি এবং আপনার স্বামী একসাথে কোনো সমস্যার সমাধান করেন, তখন সেটাকে একটি বিজয় হিসেবে দেখার চেষ্টা করুন। যেমন, যদি আপনার সন্তান প্রথমবার হাঁটতে শুরু করে, তাহলে সেটা আপনার পরিবারের জন্য একটি বড় মুহূর্ত। এমন সময়ে, আপনার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সেটি উদযাপন করুন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি বন্ধন তৈরি হয়, যা প্যারেন্টিংয়ের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় সহায়ক হয়।
"আপনার প্যারেন্টিং স্টাইল সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করুন, যাতে শ্বশুর-শাশুড়িরা আপনার মতামত বুঝতে পারে।"
Was this guide helpful?
Related Guides
તમારા બાળક સાથે પુબર્ટી વિશે awkwardness વગર વાત કેવી રીતે કરવી
Read Guideતમારા બાળક માટે માનસિક સ્વાસ્થ્ય પર ચર્ચા કરવા માટે સુરક્ષિત અને સહાયક વાતાવરણ કેવી રીતે બનાવવું
Read Guideપ્રેગ્નેન્સી માટેની માર્ગદર્શિકા: પ્રથમ વાર માતા બનતી મહિલાઓ માટે
Read Guideતમારા વયસ્ક માતાપીતાની સંભાળ: ગુજરાતમાં વરિષ્ઠ નાગરિકોની કાળજી માટે માર્ગદર્શિકા
Read GuideFrequently Asked Questions
আমি কীভাবে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে প্যারেন্টিং পার্থক্য মোকাবেলা করব?
যদি আমার শ্বশুর-শাশুড়ি আমার প্যারেন্টিং পছন্দগুলোকে সম্মান না করে, আমি কী করব?
প্যারেন্টিং নিয়ে আলোচনা করতে স্বামীকে অন্তর্ভুক্ত করা ঠিক কি না?
Reviewed & Verified By
PurpleGirl Editorial Team
Reviewed by experienced women writers & researchers
Editorial Board
PurpleGirl Editorial Team ensures that all information provided in this guide aligns with the latest medical, legal, and professional standards in India. PurpleGirl Media relies on credentialed experts to provide a safe, accurate space for women.
Read full editorial policyFind products related to this guide
Shop top-rated essentials for স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির মধ্যে প্যারেন্টিং পার্থক্য কীভাবে মোকাবেলা করবেন on Amazon India.
Search on AmazonOther women also asked about this topic
Real anonymous questions from Indian women
"How do I stop feeling guilty for putting myself first?"
→"My family doesn't support my career. What should I do?"
→"Is it normal to feel alone even in a marriage?"
→"How do I rebuild confidence after a toxic relationship?"
Free Weekly Updates
Get PurpleGirl's weekly guide for Indian women
No spam. Unsubscribe anytime. 100% anonymous.